3 verified Rokomari customers added this product in their favourite lists
TK. 250TK. 219 You Save TK. 31 (12%)
Related Products
Product Specification & Summary
মহানন্দ ছিলেন সার্বক্ষণিক আনন্দে ডুবে থাকা এক ব্যতিক্রমধর্মী মানুষ। সৃষ্টি সুখের উল্লাসে তিনি সংসার ও মহী-মায়ার সব কিছু সহজেই উপেক্ষা করতে পারতেন। তার এই বিবাগী চিত্তের জন্যেই বাবা তারিনীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় বিয়ের পিঁড়িতে বসিয়েছিলেন মহানন্দকে, কনে মৃণালিনী বন্দ্যোপাধ্যায়ের বয়স তখন মাত্র ১২ বছর। কিন্তু পুঁথি, পালা, গান ও ছড়া রচনা থেকে ফেরানো যায়নি মহানন্দকে। বিয়ের পরও তার মতিগতি বদলায় না। যজমানি, দীক্ষাদান, কথকতার ভোজ্য-পার্বনী-দক্ষিণা এগুলো মাঝে মধ্যে পান বটে, কিন্তু এসব তো স্থায়ী কোনো ব্যবস্থা নয়, যা দিয়ে সংসার চলতে পারে। অথচ একথা বোঝানোর সাধ্য নেই কারো। সংসারি কথার আঁচ পেলেই কথার মোড় ঘুরিয়ে দেন মহানন্দ। বলেন, 'শাস্ত্রী মানুষ, শাস্ত্র মতে চলছি।'
এই শাস্ত্রী মহাশয়ের ঔরসেই যেদিন প্রথম পুত্র এলো পৃথিবীতে, সেদিন মহানন্দ বন্দ্যোপাধ্যায় মহানন্দে দিনলিপিতে লিখলেন, 'শুল্কপক্ষ, ১৩০১ সময় আমার বিভূতিভূষণ পুত্রের জন্ম হয়। মুরাতিপুর গ্রামে। ইঙ্গরাজী ১৮৯৪/১২ সেপ্টেম্বর। দিবা ৩০/৪২, রাত্র ২৯১৮।'