বইটির বিষয় এমন যে, এ বিষয়ে আর তেমন কোন বই লেখা হয়নি। অনন্য এই বিষয়টি নিয়ে লেখক বই লিখেছেন তার কৃতিত্ত্ব তাঁকে দিতেই হবে। বইটিতে প্রায় ৬৫জন আলেম সংসদ সদস্যের জীবনী তুলে ধরেছেন। সেই সাথে ওই জীবনীগুলোকে বিভিন্ন ক্যাটাগরীতে ভাগ করেছেন। সেসময়ের রাজনৈতিক দলগুলোর বর্ণনাও তুলে এনেছেন। তথ্যগুলোকে পরিসংখ্যানের আকারে তুলে ধরেছেন যাতে অন্যরা তুলনা করতে পারে। অনেক জীবনীই সংক্ষিপ্ত মনে হয়েছে কারণ এ বিষয়ে তথ্য তেমন সহজলভ্য নয়। জীবনীর পাশাপাশি তথ্যসূত্র উল্লেখ করায় বইটি সমৃদ্ধ হয়েছে। বইটি বেশকিছু বিষয়ে আশাহত করেছে সেগুলো হলো:
ভুমিকাই শুরু করেছেন নিজের মতামত দিয়ে যে, ইসলাম রাজতন্ত্র সমর্থন করে না। এইধরণের কথা ইসলাম বহির্ভূত কথা। শর্তশাপেক্ষে রাজতন্ত্র জায়জ।
গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ইসলামী ব্যবস্থার সাথে মিলিয়ে ফেলার প্রয়াস লক্ষিত হয়েছে।
বইটির ভুল-ত্রুটির বিষয়ে জানাতে বলেছে, পাঠক কিভাবে জানাবে? কোন মেইল অ্যাড্রেসও দেয়নি।
অনেক তথ্যই এমনভাবে এসেছে যে, তথ্যের অভাবে কিছুই বুঝা যায়নি। দ্বিতীয় সংস্করণে এসব ঠিক করা দরকার। উদারণস্বরুপ: মুফতী মাওলানা আব্দুস সাত্তার আকন কোন আসন থেকে সংসদ সদস্য হয়েছেন তার উল্লেখ নেই। একই বিষয় হয়েছে মাওলানা আবদুল আজিজ এর ক্ষেত্রে। কোন আসন বা কোন উপজেলা থেকে নির্বাচন করেছেন তার উল্লেখ নেই।
তবে এই বিষয়টি নতুন হওয়ায় এই বই মাইলফলক হিসেবে থাকবে। অদূর ভবিষ্যতে আরো গবেষণা হতে পারে।