“প্রতিদান” গল্পের নীরাকে আমরা হামেশাই দেখে উঠি, নগরযাপনে, যে কিনা গৃহপরিচারিকা থেকে হয়ে ওঠে ঘরের মেয়ে। এর ভেতরেও হয়তো গৃহকত্রীর সূক্ষ্ম ইচ্ছা থাকে, নিজেদের সন্তানের অভাবটি নীরাকে দিয়ে পূরণ করতে চায়। মুনিরাকে নীরা করে তোলা হয় ফার্স্টফুড খাইয়ে, ইংলিশ মিডিয়ামে পড়িয়ে। প্রশ্ন হচ্ছে, গ্রামের মেয়েটিকে এতবেশি শহুরে করার দরকার যখন পড়ে আমাদেরই নগুরেপনাকে বড় করতে, তখন বুঝতে অসুবিধা হয় না, পূঁজির স্তরবিনাসে নিজেকে দেখতে কতোটা অভ্যস্থ আমরা। ঠিক এ জায়গাতেই লেখকের ফোকাসড। লেখককে সমাজের চোরাস্রোতের দিকে নজর রাখতে হয় এবং এক্ষেত্রে ফারজানা রহমান শিমুর অভিপ্সাকে অভিনন্দন জানাতে হয়।