মেধা ও নানা গুণের কারণে কুদ্দুস বেশ পরিচিত। পুরো নাম আবদুল কুদ্দুস।এই নামে তো কত মানুষ থাকে। কিন্তু রাউজান উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণিতে অবশ্য কুদ্দুস একজনই। উচ্চ শেখ বংশের সন্তান। রাউজান উপজেলার মোহাম্মদপুরে জন্ম তার। বাবা জমিদার হাজি ছাদন আলি আর মা ওমদা খাতুনের ঘর আলো করে ১৯১৬ সালের সাতাশে আগস্ট পৃথিবীকে
নিজের মুখ দেখিয়েছিল সে। আর সে-ই শিশুসন্তান বড়ো হয়ে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে রাখছিল মেধা আর প্রতিভার স্বাক্ষর। বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান হিসেবে আদরের কমতি ছিল না তার, মায়ের চোখের মণি সে।
বাবার গল্পের সাথি। তার কোনোকিছুতে অপূর্ণতা ছিল না। খুব দ্রুত কথা বলতে শিখেছিল অন্য যে-কোনো শিশুর তুলনায়। মা-বাবা দুজনেই খুব উৎফুল্ল ছিলেন সন্তানের এমন কৃতিত্বে। কেউ এলে তাদের মনে করিয়ে দিতে ভুলতেন না যে
কুদ্দুস এখনই কথা বলতে শিখে ফেলছে। মায়ের গুনগুন করে ছড়া কাটা আর পুত্রের আধো-আধো বোল যেন একসাথে সুরে সুরে মেতে উঠত। কখনো তাকে বকা দেওয়ার প্রয়োজন হয়নি।