আবদুল্লাহ আল-মামুনের নাট্যকর্ম পর্যালোচনায় আমরা প্রায়শই সুবচন নির্বাসনে (১৯৭৪) নাটকটিকে প্রারম্ভিক বিন্দু বলে বিবেচনা করি। এই বিবেচনায় যে যৌক্তিক সঙ্গতি আছে, তা আমি মান্য করি। ওই শুরুটাই তাঁর সম্পর্কে নাট্যরসিক ও দর্শকদের মধ্যে একটা বিরতিহীন উৎসাহের জন্ম দেয়। ‘আমি আসছি’-বাচক একটা ঘোষণাও যেন শোনা যায় এক প্রতিশ্র“তিশীল নাট্যকারের কাছ থেকে। আর পরবর্তী কালে তাঁর অন্য সব নাট্যকর্মের সঙ্গে সুবচন নির্বাসনে- কে বিষয় ও চিন্তাগত দিক থেকে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিকভাবে যুক্ত করা যায়। এটাও একটা প্রধান কারণ।
Was this review helpful to you?
By Shadin Pranto , Oct 21, 2019
বাংলা সাহিত্যের স্বাধীনতাত্তোর উল্লেখযোগ্য নাটকগুলোর অন্যতম আবদুল্লাহ আল মামুনের সুবচনে নির্বাসন। ১৯৭৪ সালে এটি প্রকাশিত হয়। সদ্য স্বাধীন দেশে এক নীতিবান স্কুল শিক্ষক, তার বেকার ছেলে, বিবাহিত মেয়েকে নিয়েই নাটকটি। দেশ স্বাধীন হয়েছে। কিন্তু স্বপ্নপূরণ হয়নি। বেকার ছেলেটি চাকরি পায়নি। অন্যায়ের প্রতিবাদ করে পেয়েছে পুলিশের মার৷ বাবার নীতি ধরে রাখতে গিয়ে অসৎ স্বামীর সাথে ঘর করাই কঠিন হয়েছে কন্যার। সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের সামগ্রিক চিত্র এই নাটকে এনেছেন আবদুল্লাহ আল মামুন