10 verified Rokomari customers added this product in their favourite lists
TK. 500TK. 439 You Save TK. 61 (12%)
শাহাবুদ্দিন আহমেদকে আমরা একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চিত্রশিল্পী হিসেবে জানি। জানি তিনি একজন মুক্তিযােদ্ধা। কিন্তু ক’জন জানি তিনি একাত্তরের আগুনঝরা দিনগুলি কীভাবে কাটিয়েছিলেন!
শাহাবুদ্দিন আহমেদকে আমরা একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চিত্রশিল্পী হিসেবে জানি। জানি তিনি একজন মুক্তিযােদ্ধা। কিন্তু ক’জন জানি তিনি একাত্তরের আগুনঝরা দিনগুলি কীভাবে কাটিয়েছিলেন! কীভাবে গেরিলা ও সম্মুখযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন; শত্রুর মুখােমুখি হয়েছেন । একটা প্লাটুনের নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি, মৃত্যুকে কাছ থেকে দেখেছেন; দেখেছেন সহযােদ্ধার আত্মাহুতি। বেঁচে থাকার আকুতিও দেখেছেন। তুলির পাশাপাশি এবার কলম তুলে নিয়ে লিখেছেন সেইসব অভিজ্ঞতার কথা। বইটির শুরু ৭ই মার্চে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ থেকে আর শেষ ১৬ই ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনীর। আত্মসমর্পণ ও বাঙালির চুড়ান্ত বিজয়ের মধ্য দিয়ে এখানে উঠে এসেছে একাত্তরের মার্চে পুরাে দেশ, বিশেষত উত্তাল ঢাকার চিত্র, পঁচিশে মার্চের কালােরাতে পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরতা, বাঙালির প্রাথমিক প্রতিরােধ, শাহাবুদ্দিনের আগরতলায় গমন, কলকাতায় যাত্রা এবং নানা ঘাত-প্রতিঘাত সহ্য করে আবার ঢাকায় প্রত্যাবর্তন। অতঃপর আগরতলার মেলাঘরে ট্রেনিং, ছবি আঁকা, চিত্রপ্রদর্শনী ও সংগীতানুষ্ঠানের আয়ােজন, সালদা নদীতে সম্মুখযুদ্ধে প্রথম অপারেশনসহ একের এক অপারেশনে। অংশগ্রহণ। শেষে ঢাকায় আগমন, সাভারে অপারেশন, ষােলই ডিসেম্বর চূড়ান্ত বিজয়ের কিছু আগে শাহবাগস্থ রেডিও পাকিস্তান কার্যালয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন—ঘটনাবহুল নানা দিনরাত্রি, অবর্ণনীয় কষ্ট আর। ‘জয়বাংলার স্বপ্নজড়ানাে জীবনের আখ্যান মূর্ত হয়ে। উঠেছে ‘আমার মুক্তিযুদ্ধ’-তে।