(১) রাসুল (সঃ) বলেন, তাবিজ শিরক (মুসনাদে আহমাদ, ১৭/৪৩৫, তাহকীক সহিহ), (আবু দাউদ, সিলসিলায়ে সহিহা, ৬/১১৬১) (নাসাঈ, সহীহুল জামে,৭৭৮৭) *** শিরক মুক্ত ঝাড়-ফুক জায়েজ (সহিহ মুসলিম ৭/২৬৪ হা. ৫৫৫৫)
(২) রাসুল (সঃ) এর চাচাতো ভাই ইবনে আব্বাস (রাঃ) ও ইবনে মাসউদ (রাঃ) এর মতে পবিত্র কুরআনের আয়াত দিয়ে বা আয়াত ছাড়া উভয় ক্ষেত্রে তাবিজ শিরক (মুসান্নাফে আব্দুর রাযযাক, হা/২০৩৪৩)
(৩) আল্লাহ তায়ালা বলেন, নিশ্চয় আল্লাহ তাঁর সাথে অংশীদার (শিরক) করার অপরাধ ক্ষমা করেন না। এ ছাড়া অন্যান্য অপরাধ যার জন্য ইচ্ছা ক্ষমা করে দেন।" (সুরা নিসা, আয়াত নং ৪৮)
"যারা ঈমান আনে এবং ঈমানের সাথে জুলুম (শিরক) মিশ্রিত করে না, তাদের জন্য রয়েছে নিরাপত্তা এবং তারাই হিদায়তপ্রাপ্ত" (সুরা আন'আম, আয়াত : ৮২)
(৪) পবিত্র কুরআনের আয়াত এর মাধ্যমে তাবিজ বানালে সাধারণত আল্লাহর বানী পবিত্র কুরআনের আয়াতগুলিকে অবমাননা করার পথ থাকে , যেমন লোকেরা সাধারণত তাবিজ পরা অবস্থায় পায়খানায় / বাথরুমে প্রবেশ করে।