মাওলানা যায়দ মাজাহেরির লেখা এবং মাওলানা আব্দুল্লাহ আল ফারুক অনুদিত "সাদ সাহেব সমিপে' বইটিতে হাতুরাবান্ধা ইজতেমায় সাদ সাহেব সুরা তয়াহার ৮৩ নং আয়াতের যে তাফসির করেছেন তাঁর বিশ্লেষণ করা হয়ছে। মাওলানা যায়দ মাজাহেরি সাদ সাহেবের কথার অনেক ভুল বের করলেন, অনেক তাফসিরের হাওয়ালা দিলেন, কিন্তু তাফছিরে মাআরেফুল কুরআন এর তাফসির বেমালুম চেপে গেলেন। উক্ত তাফসির সাদ সাহেবের পক্ষে যায় বলে? এটা তো অনেক বড় খেয়ানত। যাদের কাছে তাফসিরে মাআরেফুল কোরআন (এক খণ্ডে সৌদি প্রিন্ট) আছে তারা ৮৬১ পৃষ্ঠা খুলে দেখুন ( সুরা তয়াহার ৮৩ নং আয়াতের তাফসির) এ ব্যপারে বিস্তারিত লেখার পর তফসির কারক বলেন ঃ
"নবুওয়তের পদের তাগিদ অনুযায়ি কওমের সাথে থাকা, তাদেরকে দৃষ্টির সম্মুখে রাখা এবং সঙ্গে আনা উচিত ছিল। তাঁর ত্বরা করার ফলশ্রুতিতে সামেরি তাদেরকে পথভ্রষ্ট করে দিয়েছে। এতে স্বয়ং ত্বরা করার কাজেরই নিন্দা করা হয়েছে যে, পয়গম্বরদের মধ্যে এই ত্রুটি না থাকা বাঞ্ছনীয়।"
মাওলানা যায়দ মাজাহেরি সবচেয়ে প্রসিদ্ধ এই মতটি উল্লেখই করলেন না। এমনকি সাদ সাহেব উক্ত কথা বলে নাকি তাসাউফের বিরোধিতা করেছেন এরকম হাস্যকর উক্তিও করেছেন। তাফসির বির রায় আর কাকে বলে।আহলে হক উলামায়ে কেরামের আদর্শ হল যে কোন আলচনায় প্রসিদ্ধ মত গুলো জমা করা, তারপর বিশ্লেষণ করা। আল্লাহ তাআলা হিংসা বিদ্বেষ ভুলে আখেরাতকে ভয় করে ইলম ও দ্বীনের খেদমত করার তাওফিক দান করুন। তাহকিক না করে অনুবাদকেরও উচিত হয়নি এই বইটি তরজমা করা।