25 verified Rokomari customers added this product in their favourite lists
TK. 200TK. 149 You Save TK. 51 (26%)
‘আবৃত্তির ক্লাস’ ভূমিকা
বিষয়, ভাব-রস, ছন্দ, অলংকার, যতি ইত্যাদি ঠিক রেখে সঠিক উচ্চারণে গদ্য-কবিতার প্রাণময় প্রকাশই আবৃত্তি। শুদ্ধভাষার প্রয়োগ, আকর্ষণীয় উপস্থাপন, কণ্ঠের ক
একজন মানুষের বড় গুণ সে সুন্দর করে কথা বলতে পারে। জড়োতা ছাড়া ভাব বিনিময় করতে পারে। অন্য মানুষ মুগ্ধ হয়ে তার কথা শোনে। মুগ্ধপ্রিয়তায় তিনি বাচিক হয়ে ওঠেন। একসময় কবি হয়ে ওঠেন। এতসব গুণ কে দান করে? কে তাকে বাগমুগ্ধতার চূড়ায় উঠায়! সে আর কেউ না, সে আবৃত্তি। আবৃত্তি শিখলে শুধু মঞ্চের বাচিক শিল্পী নয়-জীবনের সকল ক্ষেত্রে বাচিকশিল্পী হওয়া যায়। মহানবি বলেছেন, ‘তোমাদের শিশুদের আবৃত্তি শেখাও তাহলে তাদের কণ্ঠ সুরেলা ও মধুর হবে।’ আবৃত্তি একটি টেকনিক্যাল শিল্প; এটি কণ্ঠ ও উচ্চারণের ওপর নির্ভরশীল। এ সম্পর্কে পবিত্র সরকার বলেছেন, ‘সবচেয়ে জরুরি হলো কণ্ঠনির্মাণ এবং উচ্চারণে উপযোগী হওয়া। কণ্ঠনির্মাণ ও উচ্চারণ হলো অবৃত্তির টেকনিক্যালের দিক। টেকনিক আয়ত্ত না হলে কোনো শিল্পেই সাফল্য আসে না।’ আবৃত্তির জন্য সাধারণ জ্ঞান, আবৃত্তির উপাদান, বিরতি, রস, ছন্দ, শব্দালংকার, কথার ধীরতা, শুদ্ধশব্দ, শুদ্ধবাক্য, শব্দের দরদি উচ্চারণ- ব্যাস এটুকুই; সবাইকে মুদ্ধতার চাদরে জড়িয়ে রাখা যায়। এসবের কারণে গল্প, প্রবন্ধ, চিঠি, ছড়া, কবিতা- সবই স্থান পায় কণ্ঠের নাটকীয়তায়। ‘আবৃত্তির ক্লাস’ সম্পূর্ণ ব্যাবহারিক একটি গ্রন্থ তাই গ্রন্থটি পড়া জরুরি।
Was this review helpful to you?
By Mahbub Zaman, Oct 10, 2017
একজন মানুষের বড় গুণ সে সুন্দর করে কথা বলতে পারে। জড়োতা ছাড়া ভাব বিনিময় করতে পারে। অন্য মানুষ মুগ্ধ হয়ে তার কথা শোনে। মুগ্ধপ্রিয়তায় তিনি বাচিক হয়ে ওঠেন। একসময় কবি হয়ে ওঠেন। এতসব গুণ কে দান করে? কে তাকে বাগমুগ্ধতার চূড়ায় উঠায়! সে আর কেউ না, সে আবৃত্তি। আবৃত্তি শিখলে শুধু মঞ্চের বাচিক শিল্পী নয়Ñজীবনের সকল ক্ষেত্রে বাচিকশিল্পী হওয়া যায়। মহানবি বলেছেন, ‘তোমাদের শিশুদের আবৃত্তি শেখাও তাহলে তাদের কণ্ঠ সুরেলা ও মধুর হবে।’ আবৃত্তি একটি টেকনিক্যাল শিল্প; এটি কণ্ঠ ও উচ্চারণের ওপর নির্ভরশীল। এ সম্পর্কে পবিত্র সরকার বলেছেন, ‘সবচেয়ে জরুরি হলো কণ্ঠনির্মাণ এবং উচ্চারণে উপযোগী হওয়া। কণ্ঠনির্মাণ ও উচ্চারণ হলো অবৃত্তির টেকনিক্যালের দিক। টেকনিক আয়ত্ত না হলে কোনো শিল্পেই সাফল্য আসে না।’ আবৃত্তির জন্য সাধারণ জ্ঞান, আবৃত্তির উপাদান, বিরতি, রস, ছন্দ, শব্দালংকার, কথার ধীরতা, শুদ্ধশব্দ, শুদ্ধবাক্য, শব্দের দরদি উচ্চারণÑ ব্যাস এটুকুই; সবাইকে মুদ্ধতার চাদরে জড়িয়ে রাখা যায়। এসবের কারণে গল্প, প্রবন্ধ, চিঠি, ছড়া, কবিতাÑ সবই স্থান পায় কণ্ঠের নাটকীয়তায়। ‘আবৃত্তির ক্লাস’ সম্পূর্ণ ব্যাবহারিক একটি গ্রন্থ তাই গ্রন্থটি পড়া জরুরি।