'বাবা! বাবা! শিগগির ওঠো। একবার বাইরের তাকাও, কত বরফ! কী মজা! কী মজা!'
ছেলেমেয়েদের হট্টগোলে সকালের গাঢ় ঘুমটা ভেঙে গেল রাজীব শাহের। কী নিয়ে এত হৈচৈ সে প্রথমে বুঝতেই পারেনি। কী এমন ঘটলো যে কবিতা আর প্রমোদ এত উত্তেজিত?
কবিতার প্রশ্ন, 'বাবা, আমরা নিচে নেমে বরফের মধ্যে খেলব?' বরফ! বোম্বাইতে বরফ? এও কি সম্ভব? ধড়মড় করে বিছানা থেকে উঠে রাজীব জানালার বাইরে তাকালো। দৃশ্যটি অভিভূত হওয়ারই মতো। বরফ পড়েছে। বাড়িগুলোর ফাঁকে ফাঁকে সাদা তুষারের গালিচা বিছানো। রাজীব সহসা অনুভব করল কী ভয়ঙ্কর শীত। কবিতা ও প্রমোদ একটা করে সোয়েটার পরে নিয়েছে। আর গরম জামা তারা খুঁজে পায়নি। বোম্বাইতে লোকের আবার গরম জামাকাপড় লাগে নাকি? গত বছর উটিতে বেড়াতে গিয়ে এই সোয়েটার দুটো যখন কেনা হয়েছিল তখন কেউ স্বপ্নেও ভাবেনি এগুলোর এভাবে দরকার পড়বে।