Category:পশ্চিমবঙ্গের বই: ঐতিহাসিক উপন্যাস
* স্টক আউট হওয়ার আগেই অর্ডার করুন
মৌর্য সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত
(কিছু অংশ)
তিন শত ছাব্বিশ খ্রিস্ট পূর্বাব্দ !
বসন্ত ঋতুর শেষপাদ। গ্রীষ্ম আসি আসি করেও হার মেনেছে গঙ্গা আর শোণের বুক থেকে ভেসে আসা বাতাসের প্রতিরোধে। পতিত পাবনী গঙ্গা আর হিরণ্যবাহ শোণ। এই দু'য়ের সঙ্গমেই মহানগরী পাটলিপুত্রের অবস্থিতি। তার ব্যবসা-বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা সবই এই দুই নদীর ওপর নির্ভরশীল। বিগত হর্ষঙ্ক বংশের রাজা অজাতশত্রু ভিত্তিপ্রস্তর রচনা করেছিলেন এই নগরীর। তা তখন পাটলি নামে এক গ্রাম মাত্র। পুত্র উদায়িন রূপদান করেন এই মহানগরীর। দৈর্ঘে আশি স্টদেস (সাড়ে নয় মাইল), প্রস্থে পনের স্টদেস (পৌনে দুই মাইল)। ছয় প্লেথরা (ছয় শত ষাট ফুট) প্রশস্ত এক পরিখা দ্বারা পরিবেষ্টিত। সর্বোপরি রয়েছে কাষ্ঠ প্রাকার। সেখানে রয়েছে পাঁচশত সত্তরটি রক্ষীস্তম্ভ এবং চৌষট্টিটি তোরণ দ্বার। অধিবাসীর সংখ্যা কয়েক লক্ষ। এই বিশাল নগরীর আকর্ষণে পরিত্যক্ত হয় বুদ্ধপ্রিয় রাজগৃহ ! মগধ- রাজধানী হয়ে ওঠে পাটলিপুত্র। অতীতের সমস্ত গৌরব হারায় কুসুমপুর বা রাজগৃহ। বিস্মৃতির অন্ধকার ঢেকে ফেলে তাকে।
Report incorrect information