ভূত থাকা-না থাকায় যাদের বিশ্বাস আছে অথবা নেই- সবাই ভূতকে ভয় করে। আর ভূতপ্রেত যত ভয়ঙ্করই হোক না কেন, ভূতের গল্প শুনতে পছন্দ করে না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দায়। গা ছমছম করা আটটি মজার ম
প্রসিদ্ধ জিনিস বাংলাদেশের সব জেলায় পাওয়া যায় না। মুষ্টিমেয় কয়েকটি জেলায় বা এলাকায় এসব জিনিস পাওয়া যায় । উদাহরণস্বরূপ-আমের জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ, লিচুর জন্য দিনাজপুর, দইয়ের জন্য বগুড়া এবং চমচমের জন্য প্রসিদ্ধ এলাকা টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ী । এসব জিনিসের পাশাপাশি আরও একটি অদৃশ্য কিন্তু ভয়ংকরভাবে পিলে চমকানাের বিষয়টির নাম হলো— ভূত, পেত্নী ও জ্বিন নামক নায়ক-নায়িকারা । এদের আবার বাংলাদেশের সব জায়গায় দেখা মেলে না। অবশ্য সব স্থানের মানুষেরা ভূত-পেত্নীর অস্তিত্ব মনে-প্ৰাণে বিশ্বাস বা ধারণ করে না বলেই সব জায়গাতে ভূত-পেত্নীর দেখা মেলে না। তবে যেসব এলাকার মানুষ তাদের মনের ভিতর এসব অস্তিত্বহীন নামগুলো ইরি ধানের মতো চাষাবাদ করে, সেসব মানুষের মাঝে হয়তো ভূতের দেখা মেলে। এদিক দিয়ে ভূত-পেত্নীর আবাসস্থল হলো-পাহাড়-পর্বত, বন-জঙ্গল, নদ-নদী, খাল-বিল অধুষিত এলাকা । তেমনি জামালপুর জেলা ভূত-পেত্নীপ্ৰসিদ্ধ এলাকা। গাইবান্ধা ও জামালপুর জেলার মাঝ দিয়ে চলে গেছে। যমুনা নদী। যদিও মাদারগঞ্জ থানার দিকের যমুনা নদী শুকিয়ে চিকন রাজ্যের রাজার মতো চিকন হয়ে গেছে।ভুত থাকা-না থাকায় যাদের বিশ্বাস আছে অথবা নেই- সবাই ভুতকে ভয় করে। আর ভূতপ্রেত যত ভয়ঙ্করই হোক না কেন, ভূতের গল্প শুনতে পছন্দ করে না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দায়। গা ছমছম করা আটটি মজার মজার গল্প দিয়ে সাজানো হয়েছে ভূত ধরার গল্প বইটি। শিশু-কিশোরদের তো অবশ্যই, যেকোনো বয়সের পাঠকদেরই ভালো লাগবে গল্পগুলো।