16 verified Rokomari customers added this product in their favourite lists
TK. 150TK. 139 You Save TK. 11 (7%)
রােমানিয়ার জার্মান-ভাষী এক গ্রামের আটার মিলের মালিক উইন্ডিশ্চ। তার স্বপ্ন- বউ ও মেয়ে নিয়া মাইগ্রেট হবে পশ্চিম জার্মানিতে। চলে যাবে স্বজাতিদের কাছে। তাই পাসপাের্ট সংগ্রহের জন্য স
‘পাসপোর্ট’ বইটি সাহিত্যে নোবেল পুরষ্কার বিজয়ী লেখিকা হার্তা মুলার এর লেখা অসাধারন একটি বই । হার্তা মুলার একজন জার্মান উপন্যাসিক । তিনি জন্মগ্রহন করেন রোমানিয়ায় ১৯৫৩ সালে । নব্বই এর দশক এর পরে তিনি সাহিত্যের সাথে সম্পুর্নভাবে সম্পৃক্ত হয়ে যান এবং তার লেখালেখির সুবাদে নার নাম ডাক ছড়িয়ে পড়ে সকল স্থানে । তার লেখা বই ২০ টির ও বেশী ভাষায় অনুদিত হয়েছে । তিনি সাহিত্যে অসামান্য অবদানের জন্য ২০০৯ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন । পাসপোর্ট বইটি তার লেখা অন্যতম একটি সেরা বই । বইটি বাংলাতে অনুবাদ করেন জিয়া হাশান । বটি প্রথম প্রকাশিত হয় ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে । বইটি প্রকাশিত হয় ঐতিহ্য প্রকাশনী থেকে এবং এর প্রচ্ছদ করেছেন ধ্রুব এষ । বইটির কাহিণী এর পটভুমি রোমানিয়া । এর ভেতরে জার্মান ভাষী এক গ্রামের আটার মিলের মালিক উইন্ডীচ । সে এইখানে বসবাস করলেও তার মনের ভেতরে তীব্র বাসনা যে সে তার পরিবারের সকলকে নিয়ে পশ্চিম জার্মানী তে মাইগ্রেট হবে । পরিবার বলতে তার বউ ও মেয়ে । সে এই সপ্নের কথা মাথায় রেখে পাসপোর্ট সংগ্রহ করার জন্য চেষ্টা করতে থাকে । এই সময়ে তাদের গ্রামে শুরু হয় এক অদ্ভুত ঘটনা । আপেল গাছ মুখ বের করে নিজেই নিজের গাছের আপেল খাওয়া শুরু করে । তাকে পুড়ীয়ে মেরে ফেলার পরে আবার নতুন পেঁচা এসে আশ্রয় খুজে বেড়ায় । এইসকল ঝামেলার মধ্যেও সে মেয়র কে বস্তার পর বস্তা আটা ঘুষ দিয়ে পাসপোর্ট পাওয়ার চেষ্টা করতে থাকে । পরে তার তরুনী মেয়েকে গ্রামের সেনাচৌকিদার আর যাজকের পাতা জাজিমে পাঠানোর পরে দফারফা হয় । এই কাহিনী নিয়েই লেখা এই নোবেল বিজয়ী বই পাসপোর্ট । অসাধারন এ বইটি পাঠকদের মনে নাড়া দিবে , তাদের বুঝতে সাহায্য করবে গ্রামের খেটে খাওয়া মানুষদের দুঃখ দুর্দশা ও ধর্মীয় গোড়ামির ব্যাপারে ।