‘দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও অ্যান ফ্র্যাংকের ডায়েরী’ বইটি পৃথিবীর ইতিহাসের ঘৃন্যতম যুদ্ধ ও অ্যান ফ্র্যাংক এর লেখা একটি মর্মান্তিক ডায়েরী নিয়ে লেখা একটি বই । অ্যান ফ্র্যাংক একটি অতি পরিচিত নাম। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সাথে এই নামটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত । বইটি লিখেছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে এক নিরীহ ইহুদি কিশোরী মেয়ে যার নাম আনেরিস মেরী অ্যান ফ্র্যাংক । মেয়েটি জার্মানির ফ্র্যাংফুটে জন্ম নিলেও তার ছোট জীবনের বেশীরভাগ সময় সে কাটিয়েছে নেদারল্যান্ডের অ্যামস্টারডাম শহরে । দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে তার বাবা ইহুদি এই কারনে তার নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হয়েছিল । এবং তাকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বন্দিশিবিরে , যেখানে চরম অস্বাস্থকর পরিবেশে গাদাগাদি করে মানুষকে রাখা হয়েছিল এবং সেখানে করানো হতো প্রচন্ড পরিশ্রম , খাওয়া দাওয়ার ছিলো তীব্র অভাব । এই বন্দিশিবিরে থাকা অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছিল , সে এই বন্দিশিবিরে থাকা অবস্থায় আত্মগোপন করে ছিল এবং এই আত্মগোপনে থাকা অবস্থাতেই তার এই ডায়েরী টি লিখেছিলো । অ্যান ফ্র্যাংক এর মৃত্যুর পরে তার লেখা ডায়েরী টি প্রকাশিত হয়েছিল । ডায়েরী টি প্রকাশ হওয়ার পরে তা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পরে । দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন অবস্থায় জার্মান অধিকৃত নেদারল্যান্ডে আত্মগোপন করে থাকা একটি পরিবারের ভয়ঙ্কর কষ্ট , আতংক আর যন্ত্রণাময় অভিজ্ঞতা দিয়ে বইটির সবগুলো পাতা লেখা । বইটি বাংলাতে অনুবাদ করেছেন এস এম রহমান । বইটি প্রকাশিত হয় ২০১৭ সাল এর একুশে বইমেলায় । বইটি প্রকাশিত হয় রুপ প্রকাশন প্রকাশনী থেকে এবং এর প্রকাশক কাজী আবদুল হক প্রচ্ছদ করেছেন কাজী ইশরাক । অনুবাদক এ বইটি তে মুল ডায়েরী এর লেখার পাশাপাশি সে সময়ের ঘটনাবলী ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা সম্পর্কে বিভিন্ন ব্যাপার পাঠকের জন্য তুলে ধরেছেন বইটি তে । যুদ্ধ ও এর ভয়াবহতা সম্পর্কে আমাদের সচেতনতা এবং এর নানান ক্ষতিকর দিকসমুহ সম্পর্কে আমাদের সচেতন করে তুলতে পারবে বই টি ।