সবুজ কোমল দূর্বা ঘাসের ডগায় জমে থাকা শিশির বিন্দু সূর্যের আলোয় ঝলমল করে। নগ্ন পায়ে শিশির ভেজা ঘাসের ওপর দিয়ে এক গ্রাম্য কন্যা হেঁটে চলে নাম তার অর্পা।
অর্পার রূপের চেয়ে দেহের লাবণ্
‘জলে ভাসা পদ্ম’ পলাশ আহমেদ এর লেখা একটি সমকালীন উপন্যাস । পলাশ আহমেদ এর জন্ম নারায়নগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার এ । তিনি ১৯৯০ সালের ৩১ ডিসেম্বর জন্মগ্রহন করেন । তিনি ইংরেজী সাহিত্যে অনার্স ও পরে মাস্টার্স ডিগ্রি লাভ করেন । তিনি উপন্যাস , গল্প , প্রবন্ধ, কিশোর উপন্যাস ও কিশোর গল্প লিখে থাকেন । জলে ভাসা পদ্ম তার লেখা অন্যতম সেরা একটি উপন্যাস । উপন্যাসের প্রধান দুই চরিত্র অর্পা ও রিয়ান । অপুর্ব সুনদ একটি মেয়ে অর্পা । তার রুপের সাথে তার দেহের লাবন্য ও সমান আকর্ষনীয় । সুদীর্ঘ পল্লব বিশিষ্ট কাজল কালো মায়াবী দুটি চোখ আর ঘন কালো চুল তার রুপ কে বহুগুন বাড়িয়ে দিয়েছে । অর্পার বাড়িতে সে আর তার বাবা বাস করেন । তার বাবা এলাকার একজন সমাজসেবক । এই অর্পা আর রিয়ান কে নিয়েই অসাধারন এ উপন্যাস । উপন্যাসটি প্রথম প্রকাশিত হয় ২০১৭ সালের একুশে গ্রন্থমেলায় । বইটি প্রকাশিত হয়েছে অন্বেষা প্রকাশনী থেকে এবং এর প্রকাশক মো শাহাদাত হোসেন । প্রচ্ছদ করেছেন মশিউর রহমান । মানুষ তার কল্পনার রাজ্যে সম্পুর্ন স্বাধীন ভাবে কাজ করতে পারলেও বাতবতায় তারা সকলেই বাস্তবতার কাছে অসহায় । কল্পনা ও বাস্তবতার মধ্যে বিশাল পার্থক্য রয়েছে। উপন্যাসটি কল্পনা ও বাস্তবতার সংমিশ্রনে লেখা একটি উপন্যাস । লেখক তার লেখায় বাস্তবতার সাথে কল্পনার রসে সিক্ত করে একটি সৃজনশীন ও অর্থবহ উপন্যাস লিখেছেন । জলে ভাসা পদ্ম আমাদের সকলেরই হৃদয় ছুয়ে যাওয়ার মত একটি উপন্যাস । অর্পা ও রিয়ান এর ঘটনা নিয়ে লেখা অসাধারন এ উপন্যাসটি সকলের নিকটই গ্রহনযোগ্য হবে তা বলা যায় ।