‘কুজোবুড়ি সাতপরি’ বইটি লেখক সৈয়দ নাজমুল আবদাল এর লেখা একটি শিশু কিশোর বই । আমাদের দেশের সাহিত্য তার নিজের গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে । সাহিত্য এগিয়ে যাচ্ছে , যেদিকে লেখকেরা ও সাহিত্যিকেরা এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে । তবে দুঃখের বিষয় যে কিশোর সাহিত্য এর তেমন কোন অগ্রগতি নেই আমাদের দেশে । সাহিত্যের এ অংশে কেমন একটি শুন্যতা কাজ করে । কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে যে আমাদের দেশের প্রেক্ষিতে শিশু কিশোরদের জন্য সুষ্ঠ সুন্দর সাহিত্যের প্রয়োজনীয়তা অনেক বেশী । সাহিত্য কে শুধুমাত্র গল্প বা কবিতা বা উপন্যাস হিসেবে দেখলেই চলে না । সাহিত্য এর মাঝে অনেক কিছু বিদ্যমান আছে । সুষ্ঠু সুন্দর সাহিত্য যেমন একটি সমাজ কে নিয়ে যেতে পারে সভ্যতার উপরের লেভেলে , তেমনি অসুস্থ্য ও ফালতু সাহিত্য একটি সমাজ কে নৈতিক অধঃপতনের নিম্নস্তরে নিয়ে যেতে পারে । সাহিত্য জিনিসটি শিশুদের জন্য একটি অন্যতম দরকারী জিনিস । কারন বর্তমানে আমাদের দেশের যুবসমাজ কেমন যে অধঃপতনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে । আজকের কিশোর আগামীর যুবক , কিশোর বয়সের সকল কিছুই মুলত যৌবনে তার নিয়ন্ত্রন করে । সুষ্টু পরিবেশে বেড়ে ওঠা একটি কিশোর যৌবনে তার জীবনে ভালো কিছু করতে পারে বা ভালো চিন্তা করতে পারে । এই কিশোর দের জন্যই লেখক সৈয়দ নাজমুল আবদাল লিখে যাচ্ছেন বই , তেমনি এই বইটি একটি । বইটি প্রথম প্রকাশিত হয় ২০১৬ সালের নভেম্বর মাসে । বইটি প্রকাশিত হয় পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স প্রকাশনী থেকে এবং এর প্রচ্ছদ এবং অলংকরন করেছেন গৌতম ঘোষ । কুজোবুড়ি পুতুল বিক্রি করে বাড়িতে ফিরছিলো । বটতলায় বিশ্রাম নিতে নিতে সে শুরু করে গান । তার গানের গলা অনেক ভালো । তার গান শুনে বটগাছ থেকে নেমে আসে সাতপরি । সে কুজোবুড়ির গান শুনে খুশি হয়ে বুড়ির কুজ সারিয়ে দেয় দেখিয়ে দেয় মাটির তলার অনেক টাকা পয়সা । গায়ের মোড়ল সেই টাকার খবর শুনে সেই গাছতলায় যায় টাকার লোভে । তারপরে কি হবে? জানতে হলে পড়তে হবে অসাধারন এ কিশোর উপন্যাস টি ।