লেখক দীপু মাহমুদের ছোটদের জন্য লেখা বই ”মোটুমামা ও খুদে গোয়েন্দাবাহিনী”। কাহিনী সংক্ষেপ: মোটুমামার ওজন ১১০ কেজি। নিজেকে সে সেঞ্চুরিয়ান বলতে ভালোবাসে। নিজের ভাগ্নে, ভাগ্নিসহ পাড়ার সব ছেলেমেয়ে তাকে ‘মোটুমামা’ বলে ডাকে। কলেজ পরীক্ষায় পাশ করার পর বিএ ক্লাসে ভর্তি হয়ে মোটুমামা বদলে গেল। তার মনে হলো এইসব লেখাপড়ার কোনো মানে নেই। পুঁথিগত বিদ্যা দিয়ে কিছু হয় না। মানুষের দরকার বাস্তব জ্ঞান। মানে প্রাকটিক্যাল নলেজ। মোটুমামা পড়াশোনা ছেড়ে দিল। সে কিছুদিন রেল ইস্টিশানের বস্তিতে গিয়ে থাকার চেষ্টা করেছিল। ইচ্ছে ছিল ভিক্ষে করে জীবন কাটানো। ভিক্ষাবৃত্তিতে মোটুমামা ঠিক সুবিধা করতে পারল না। পুরানো ভিক্ষুকরা তাকে জায়গা দিল না। মোটুমামা তখন রিকশা চালানো শুরু করেছে। একদিন কাঁচা বাজারে রিকশা নিয়ে আপা আর দুলাভাইয়ের সামনে পড়ে গেল। দুলাভাই তাকে কান ধরে বাড়িতে নিয়ে এসে আটকে রেখেছেন। তারপর থেকে সে তার একমাত্র বোনের বাড়িতে থাকে। তিন ভাগ্নে-ভাগ্নি আর পাড়ার কয়েকজন ছেলেমেয়ে নিয়ে গোয়েন্দাবাহিনী বানিয়েছে। এই গোয়েন্দাবহিনীর সদস্য সংখ্যা অনেক। তবে মোটুমামা ছাড়া সকলেই বয়সে ছোট। তাই ওরা নাম দিয়েছে খুদে গোয়েন্দাবাহিনী। মোটুমামা এই মুহূর্তে জটিল ভাবনার ভেতর।আছে। নতুন রহস্যের সন্ধান পেয়েছে। কে বা কারা তাদের অ্যাপার্টমেন্টের মোক্তাদির সাহেবের পোষা কুকুরকে হত্যা করেছে। কুকুর মরে পড়ে আছে গ্যারেজে। কুকুর মরে পড়ে থাকবে ঘরের ভেতর। মোটুমামা সেখানে যাবে ধীরেসুস্থে। ঘরের ভেতর কী কী আছে সেগুলো ভালো করে দেখবে। খাতায় নোট নেবে। সে ব্যবহার করবে তিন রঙের পেন্সিল। লাল, নীল আর সবুজ। এক এক রঙের এক এক গুরুত্ব। মোটুমামা দেখবে ঘরের ভেতর একপাশে বিছানা পাতা, মাঝখানে রিডিং টেবিল আর চেয়ার। এই পর্যন্ত ভেবে তার মেজাজ আবার খারাপ হয়ে গেল। কুকুরের ঘরে নিশ্চয় রিডিং টেবিল থাকবে না। সে নিজের উপর মহাবিরক্ত হয়েছে। আবার গোড়া থেকে নতুন করে ভাবতে বসল। এমনি সব মজার ঘটনার মধ্য দিয়ে কাহিনী এগুতে থাকে।
Was this review helpful to you?
By S.M. OBIDUL KADER, Feb 23, 2017
Verified Purchase
অনেক সুন্দর লেখা। অনেক দিন পরে কিশোর গয়েন্দা পরলাম। ভাল লাগলো। আশাকরি মোটুমামা ও খুদে গোয়েন্দাবাহিনীর সিরিজ বের হবে। ধন্যবাদ