জীবনানন্দ দাশের মৃত্যুর পর তাঁর এই “রূপসী বাংলা” কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয়। এই কাব্যগ্রন্থটি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের পড়ানো হয়। শিক্ষার্থীদের কাছে এই গ্রন্থটি সহজ পাঠ্য করার জন্য সৈয়দ জাহিদ হাসান “রূপসী বাংলা” কাব্যগ্রন্থটি সম্পাদনা করেছেন একটু ভিন্ন ভাবে। এই বইটিতে তিনি এক নতুন মাত্রা যুক্ত করেছেন। এই বইটিতে রয়েছে কবির সংক্ষিপ্ত জীবন কাহিনী, কাব্যগ্রন্থের বিশ্লেষণাত্মক ভূমিকা এবং প্রতিটি কবিতার শব্দার্থ ও টীকা-ভাষ্য। অনেকে আছে কবিতা তাদের কাছে দুর্বোধ্য লাগে, তাদের জন্য সহজ সাবলীল করে তুলবে কবিতা এই বইটি। সব শ্রেণির পাঠকের জন্য সৈয়দ জাহিদ হাসান সম্পাদিত জীবনানন্দ দাশের “রূপসী বাংলা” কাব্যগ্রন্থটি সহজবোধ্য করে তুলবে। l সৈয়দ জাহিদ হাসান একাধারে কবি,কথাশিল্পী, গবেষক ও সমালোচক। এই বইয়ে সম্পাদক অতি চমৎকার ভাবে কবি জীবনানন্দ দাশের জীবনী সংক্ষিপ্ত আকারে তুলে ধরেছেন। জীবনানন্দ দাশের সম্পর্কে অন্য লেখকদের লেখাও এখানে তুলে ধরা হয়েছে। তাঁর শৈশব, বেড়ে উঠা, শিক্ষা জীবন, কর্ম জীবন, পরিবার সব এখানে তুলে ধরা হয়েছে। জীবনানন্দ দাশের কবিস্বভাব ও প্রবণতা ও এখানে তুলে ধরা হয়েছে। জীবনানন্দ দাশ আধুনিক কবিদের মধ্যে সবচেয়ে নির্জন, সবচেয়ে স্বতন্ত্র কবি। জীবনানন্দ দাশ খুবই লাজুক ও নিঃসঙ্গ জীবনযাপন করতেন, কিন্তু তাঁর কবিতায় আছে নির্দয় চাবুকের আঘাত, অমানবিক পৃথিবীর প্রতি ঘৃণা, ক্ষমাহীন মানুষের প্রতি ধিক্কার। “রূপসী বাংলা” কাব্যগ্রন্থের প্রতিটি কবিতায় আমরা খুঁজে পাই এই বাংলার রূপ রস, সবুজ শ্যামল প্রকৃতি, নদী নালা,পাখি, বট বৃক্ষ আরও কত কি, যা আমাদের বিমোহিত করে তোলে।