মিলি সুলতানা লেখালেখির জগতে এক সুপরিচিত নাম। বিভিন্নভাবে তিনি তার প্রশংসিত লেখনী দিয়ে সমাদৃত হয়েছেন।
তার আরও কিছু প্রতিভার দিক আছে। কবি সাহিত্যিকের পাশাপাশি তিনি সাংবাদিক এবং একজন কলাম। যেকোনো প্রেক্ষাপটে তিনি মানানসই গদ্য পদ্য উপহার দিতে জানেন। যেকোনো কাব্যে মেসেজ থাকা অতি জরুরী। কিন্তু অনেক কবি সেটা গ্রাহ্য করেন না। তারা তাদের বক্তব্য ফুটিয়ে তুলতে পারেন না। এখানেও লেখক হিসেবে মিলি সুলতানা ব্যতিক্রমী ধারায় অবস্থান করছেন। বৈচিত্র্যময় সাহিত্য রচনা করে সাহিত্য সমাজকে পুনরুজ্জীবিত করেছেন। অনেককে আগ্রহী হতে প্রেরণা যুগিয়েছেন। বলতে দ্বিধা নেই এমন সব লেখকরাই পারবেন আমাদের কাব্য সাহিত্যের ঝিমিয়ে পড়া জগতকে গা ঝেড়ে দাঁড় করিয়ে দিতে। মিলি সুলতানা তার গল্প উপন্যাস কবিতা প্রবন্ধ লিখে একটা নিজস্ব ভীত তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন।এবং নতুন প্রজন্মের লেখকদেরকে আগ্রহী করে তুলেছেন। লিখেছেন অসংখ্য ছোটগল্প যেগুলো ঢাকার বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। মিলি সুলতানার লেখার ধাঁচ অনুমান করা যায় খুব সহজভাবে। লেখনশৈলী দিয়ে একজন লেখক যেমন একদিকে ধারণ করেছেন ক্ষয়িষ্ণু গ্রামীণ জীবনবোধকে। অন্যদিকে অত্যন্ত গতিশীল উপায়ে প্রকাশ করেন ঘটমান নগরজীবন। ছোটগল্পের নাতিদীর্ঘ পরিসরেও এই জটিলতাকে তিনি তাঁর বিশিষ্ট গদ্যরীতির সামর্থ্যে পেরেছেন সম্পন্নভাবে ধারণ করতে। আর এখানেই একজন পরিপূর্ণ লেখকের সার্থকতা। নিজে সংবেদনশীল নারী বলে গ্রামীণ ও নাগরিক জীবনে নারী-মনস্তত্ত্বের স্বাতন্ত্র্যকে পেরেছেন উপলব্ধি করতে। বাংলাদেশের গ্রামীণ ও নাগরিক জীবনপ্রবাহকে একেবারে সন্ধিস্থল থেকে পর্যবেক্ষণ করেছেন তিনি।