হাসনাত করিম ও তাহমিদ হাসিব খান। হোলি আর্টিজান বেকারিতে ভয়াবহ জঙ্গি হামলার ঘটনায় সবচেয়ে আলোচিত দুই ব্যক্তি। তাহমিদের হাতে অস্ত্র আর হাসনাতের স্বাভাবিক অঙ্গভঙ্গি। এ নিয়ে সারাদেশে ব্যপক আলোচনা-সমালোচনা। জিম্মি অবস্থা থেকে উদ্ধার হওয়ার পর দুজনই দীর্ঘ সময় ছিলেন পুলিশি হেফাজতে। তাহমিদ মুক্তি পেলেও হাসনাত এখনো জেলে। ১ জুলাইয়ের সেই রাতে তাহমিদে কোন প্রেেিত অস্ত্র হাতে নিয়েছিল? হাসনাতেরই বা বক্তব্য কি? তাহমিদের কি ভাষ্য? হোলি আর্টিজান বইয়ে তাদের সেরাতের দু:সহ অভিজ্ঞতার বর্ণনা রয়েছে।
হাসনাত-তাহমিদ ছাড়াও হাসনাতের স্ত্রী শারমিনা করিম, তাহমিদের দুই বান্ধবী ফাইরুজ মালিহা ও তাহানা তাসমিয়া, ভারতীয় নাগরিক ডা. সাত প্রকাশ, হোলি আর্টিজানের শেফ- শিশির সরকার, মিরাজ হোসেন, আকাশ খান, দেলোয়ার, শিশির বৈরাগী, সবুজ হোসেন, সুহিন, রিন্টুর ভয়াবহ ও দু:সহ সেই অভিজ্ঞতার বর্ণনাও রয়েছে এই বইয়ে।
এছাড়া প্রত্যদর্শী ও অভিযানে অংশ নেয়া ফার্স্ট রেসপন্ডার পুলিশ কর্মকর্তা থেকে শুরু করে উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সেই রাতের অভিজ্ঞতা ও অভিযানিক কৌশল কী ছিল, তিন শীর্ষ কর্মকর্তা কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট প্রধান মনিরুল ইসলাম, ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া ও র্যাব ডিজি বেনজীর আহমেদের সেই রাতের অভিজ্ঞতা, হামলায় অংশ নেয়া পাঁচ জঙ্গির বিস্তারিত পরিচয়, তাদের মোটিভেশন, পরিকল্পনা, অপারেশনসহ আগাম গোয়েন্দা তথ্যের বিস্তারিত বিশ্লেষণ, নব্য জেএমবির উত্থান, আইএসের সঙ্গে নব্য জেমএবির সম্পর্ক, গুলশান হামলার অন্যতম মাস্টারমাইন্ড তামিম চৌধুরীর বিস্তারিত বিবরণ, দুই স্টাফ সাইফুল ও শাওনের করুণ মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানসহ এমন কিছু তথ্য রয়েছে এই বইয়ে, যা এর আগে কোনও গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়নি।