“বলিভিয়া” বইটি সৌরীন সেন রচিত।চে সম্পর্কে অনেক কথাই লেখক তাঁর লেখায় তুলে ধরেছেন।চে একজন বিপ্লবী নেতা সবাই জানি।তার সুনাম ও সাহসিকতার কথা জানে না এমন কেউ নেই বললেই চলে।তিনি রণ্নীতির একজন সুনীতি সম্পন্ন শিল্পী। এর প্রমান তিনি বহুবার দিয়েছেন।লেখক বইটি শুরু করেছেন এইভাবেঃ তীব্র গর্জন ছিটিয়ে ৪মাইল দীর্ঘ একটা জেট বিমান এলো।বইটির শুরুর দিকে বিমান নামার কিছু তথ্য দেয়া আছে। যা জানার জন্য দরকারি।হালকা বিমান নামার জন্য সময় বেশি লাগে।জেট বিমানের জন্য আলাদা কিছু নিয়ম আছে।লেখক বারিয়েন্তোস এর মত শাসকের কথা বলছেন। ইনি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ছিলেন।একটা সময় তাঁর কাছে সামরিক সাহায্য চাওয়া হলে তিনি তা গুরুত্ব দেন নি।তিনি কাল্পনিক একটি গেরিলা বাহিনী করেছিলেন।
লেখা শুরুর পর পর চে এর কথা তুলে ধরেন লেখক।লিখার শুরু থেকে কথা হচ্ছিল ২ জনের মাঝে।বিয়ার শেষ করতে করতেই রাইনগোল্ড কোন ফটোর কথা জিজ্ঞাসা করলেন।সেই ফটোর সূত্র ধরেও আবার চে উঠে আসেন।রাইনগোল্ড একজন করিতকর্মা লোক।তিনি বলিভিয়ার এন্টি গেরিলা স্কুলের একজন।লেখায় আমেরিকার নানা তথ্য ও সেনাবাহিনীর কথা সহ অনেক কথাই লেখক তুলে ধরেছেন।সেই সাথে রাশিয়া ও চীনের কথাও উঠে এসেছে।রাইনগোল্ড সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলেন এবং একপর্যায়ে তাদের কথায় তিনি তাদের নিয়েও কথা বললেন।
এইভাবেই শুরু হওয়া “বলিভিয়া”নামক বইটি।বইটি হয়তো অনেক কিছু জানতে সাহায্য করবে।