চন্দন ঘড়ির দিকে তাকাল আবার। দুপুর দেড়টা বাজতে বেশি দেরি নেই। এ সময় সাটল ট্রেন কুষ্টিয়া কোর্ট ষ্টেশন থেকে রাজবাড়ীর উদ্দেশে ছেড়ে যায়। না, সে রাজবাড়ীতে ঠিক যাবে না। তবু চন্দন কুষ্টিয়া কোর্ট স্টেশনে একবার যাবে। রোজ এ সময় সে স্টেশনে সটান চলে আসে।
স্টেশন লাগোয়া একটি বেকারির মালিক মাহফুজ ভাই ব্যাপারটা জানেন। যেদিন ট্রেন লেট থাকে, সেদিন চন্দন বেকারিতে বসে অপেক্ষা করে। তখন নানা কথাবার্তা হয়।
আজও চন্দনকে দেখে সাদরে হাসলেন মাহফুজ ভাই। মাহফুজ ভাই বয়সে তরুণ। কবিতা লিখতে পারেন না, কিন্তু কবিতার সমঝদার; ফলে মনটা কবিদের মতো সরল ও উদার। বোধকরি সে কারণেও মাহফুজ ভাই চন্দনকে বিশেষ স্নেহ করেন, বললেন, 'কী চন্দন, ট্রেন আজ লেট?'