প্রতিদিন সকালে সোহেল ঘুম থেকে উঠেই বাথরুমে ঢুকে প্রাতঃক্রিয়া সেরে নেয় চটপট। তারপর অনেক সময় ধরে গোসল করে। আর এই সময়ের মধ্যে তার গিন্নি রাইমা নাস্তা তৈরি করে সাজিয়ে রাখে ডাইনিং টেবিলে। সে জন্য রাইমাকে সকালবেলায় বিছানা ছাড়তে হয় সোহেল ঘুম থেকে উঠার বেশ খানিকক্ষণ আগেই। সোহেল অফিসে চলে যাওয়ার পর রাইমাকে ছেলে-মেয়েদের তৈরি করে নিয়ে যেতে হয় স্কুলে। এটা একটা গতানুগতিক রুটিন। সাধারনত এ রুটিনের কোন ব্যাতিক্রম হয় না।
আজ সোহেল ঘুম থেকে উঠেই দেখতে পেল রাইমা অঘোরে ঘুমাচ্ছে। কিন্তু রাইমাকে ডাকতে গিয়েই সোহেলের মনে পড়ল, আজ শুক্রবার। অর্থাৎ বাচ্চাদের স্কুল বন্ধ। তাই রাইমাকে ঘুম থেকে জাগাল না। ঘুমান্ত রাইমার দিকে তাকিয়ে তার কেমন যেন মায়া মায়া লাগল। আহা! বেচারাকে প্রাতদিন সবার আগে ঘুম থেকে উঠতে হয় সংসার কর্মের জন্য। অথচ সকালের ঘুমটা যে কত আরামের তা সে খুব ভালো করেই বোঝে। অবশ্য বিয়ের পরে, ওরা দুজনে কয়েক দিন অনেক বেলা পর্যন্ত ঘুমিয়েছে।