12 verified Rokomari customers added this product in their favourite lists
TK. 150TK. 129 You Save TK. 21 (14%)
শুভ দিয়ার পাঠানাে ভিডিও ফাইলগুলাে দেখল। অবাক হতে হলাে ওকে। ইমােশন সেন্টারের পাঁচজন বিজ্ঞানী, লেডক্স এবং আরও বেশ কয়েকজন ইমােশন সায়েন্টিস্ট বিভিন্ন ছােট যানে অবস্থান করছে। যে এলিয
‘মিশন ইমোশন’-এর পটভূমি রচিত হয়েছে ঢাকায় অবস্থিত গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইমোশন সেন্টারকে কেন্দ্র করে। এই ইমোশন সেন্টারের গুরুত্বপূর্ণ গবেষকেরা যখন অপহরণ হতে থাকে তখন আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা পরিষদের পক্ষ থেকে একটি অপারেশন পরিচালনা করা হয়। এই অপারেশনে এলিয়েন, রোবোট, মিউট্যান্টরাও প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িয়ে পড়ে। বইটি থেকে কিছু অংশ তুলে দিচ্ছি-"শুভ দিয়ার পাঠানো ভিডিও ফাইলগুলো দেখল। অবাক হতে হলো ওকে। ইমোশন সেন্টারের পাঁচজন বিজ্ঞানী, লেডক্স এবং আরও কয়েকজন ইমোশন সায়েন্টিস্ট বিভিন্ন ছোট যানে অবস্থান করছে। যে এলিয়েনটাকে এর আগে আটক করা হয়েছিল, ওরকম বেশকিছু এলিয়েন নৌকাগুলো চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এর মাঝে নূর হাচের মাথার মধ্যে যে রকম ন্যানোডিভাইস ছিল সে রকম ন্যানো ডিভাইস সাগর, শামীম হক, তন্বী আর রূপমের মাথায় দেখা যাচ্ছে। শুভ দেখলো দ্বীপের দিকে যাচ্ছে ছোট যানগুলো। শুভসহ একটা দল মহাকাশযানে ঢুকে পড়ার জন্য উদ্যোগ নিল...."।/ লেখক পরিচিতি: নাসিম সাহনিক মূলত বিজ্ঞান ও সাহিত্যের মেলবন্ধনের পথিক। বিজ্ঞানের মাধ্যমে প্রকৃতি, প্রাণ, মহাবিশ্ব প্রভৃতি অধ্যয়ন করে থাকেন। সাহিত্যের মাধ্যমে মানুষ, জীবন, সংস্কৃতি প্রভৃতি বোঝার চেষ্টা করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগে পড়াশোনা করেছেন। করেছেন বেশকিছু পত্রিকা সম্পাদনা। এগুলোর মধ্যে রয়েছে অনলাইন পত্রিকা ‘সায়েন্সটেক’, বিজ্ঞান ও বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি বিষয়ক পত্রিকা ‘ক্রোমোজোম’ প্রভৃতি। এর আগে এ লেখকের প্রকাশিত হয়েছে ‘কক্সবাজারের কচ্ছপ’ ( রাত্রি), ‘সুন্দরবনে ত্রুটি’ (ছায়াবিথী), ‘মহাকাশে মহাযান’ (শুভ্র), ‘রোবোসাইকোলজিস্ট’ (অন্বেষা), ‘জেনেটিক কোড’(রোদেলা)। বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি প্রসঙ্গে নাসিম সাহনিক বলেন, ‘লেখালেখি আমার প্রিয় বিষয়। বইমেলায় নতুন বই প্রকাশ হলে ভালো লাগে। বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি লিখে আনন্দ পাই। তখন মনে হয়, ভিন্ন এক জগতে, ভিন্ন এক সময়ে আমি ভ্রমণ করছি। আমি তখন ট্রাভেলার হয়ে যাই।’