অনেক ছোটবেলা থেকেই আমি তিন গোয়েন্দা সিরিজের ব্যাপক ভক্ত।ছোট বেলা পড়ার ফাকে লুকিয়ে লুকিয়ে তিন গোয়েন্দা ভলিউমগুলো পড়তাম।অনেকবার ধরা খেয়ে আম্মুর হাতে অনেক পিটুনিও খেয়েছি।আমার স্বপ্নের নায়কের মধ্যে কিশোর মুসা ও রবিন অন্যতম ছিল।আজ বড় হয়েছি কিন্তু তিন গোয়েন্দা সিরিজের প্রেম আগের মতই অমলিন আছে আমার মাঝে।রকিব হাসান এই ভলিউম গুলোর কাহিনি অনেক সুন্দর ও সহজ বাংলা ভাষায় রুপান্তর করেছেন।তিন গোয়েন্দা সিরিজের “সাগরে আতঙ্ক” বইটি হাতে পাওয়ার পর এক বসায় শেষ করে ফেলেছে।বইটির কাহিনি ভাল লেগেছে বরাবরের মতই।সংক্ষেপে যদি বলতে চাই তাহলে বলে হয় কিশোর,মুসা ও রবিন এই তিন গোয়েন্দা ছুটি কাটাতে আসে ক্যারেবিয়ান দ্বীপপুঞ্জে।জায়গাটা শুরুতে খুব ভালই লাগে ছিল তাদের কিন্তু হঠাত ভয়ংকর হয়ে উঠল জায়গাটা।ঘটতে থাকে নানা ঘটনা।সাগরে নামা যাচ্ছেনা আর বোটে থাকা যাচ্ছে না আরও অনেক ঝামেলা।বিশাল বিশাল সব দানবীয় প্রানিরা আক্রমন করতে থাকে তাদের।তবে প্রানী গুলো ভিনগ্রহ থেকে আসেনি বা অন্য কোন জায়গারও নয় প্রা্নীগুলো সব পৃথিবীর যেমন ছোট ছোট রঙিন মাছ, অক্টোপাস,জেলি ফিশ মনে হচ্ছে সবগুলো এক একটা দানব।এসবের আক্রমনের কারন খুজতে শুরু তিন গোয়েন্দা।বিভিন্ন রকম তদন্তের পর বের করে ফেলল আসল রহস্য। কিন্তু এই রহস্য সমাধান করতে গিয়ে তাদের নির্বাসিত হতে হল বালিতে ভরা এক দ্বীপে অদ্ভুত সেই দ্বীপ।তিন গোয়েন্দার জীবন নিয়ে টানাটানি পড়ে গেল।দ্বীপে কোন খাবার পানি নেই।নেই কোন খাবার বেঁচে থাকাটা তাদের কাছে দুর্বিষহ হয়ে দাঁড়াল।কি করে তারা ফিরে আসবে তারা দ্বীপটি থেকে জানতে পড়ে ফেলুন আজই।বইটি রোমান্সকর ঘটনার ইতিবৃত্ত পাবেন যা আপনাদের কাছে ভাল লাগবে।সারা বইটি টানটান উত্তেজনা রয়েছে। তাই বলব তিন গোয়েন্দা ভক্ত যারা আছেন তারা মিস করবেন না আশা করি ভাল লাগবে আপনাদের কাছে।