18 verified Rokomari customers added this product in their favourite lists
TK. 300TK. 279 You Save TK. 21 (7%)
"আতঙ্কের দেয়াল : বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত" বইয়ের ফ্ল্যাপের লেখা:
১৯৯৩ সালে সীমান্তজুড়ে ৩ হাজার ২০০ কিলােমিটার দীর্ঘ দেয়াল তুলতে শুরু করে ভারত। নিজেকে বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছ
বর্তমানে প্রকাশনীতে এই বইটির মুদ্রিত কপি নেই। বইটি প্রকাশনীতে এভেইলেবল হলে এসএমএস/ইমেইলের মাধ্যমে নোটিফিকেশন পেতে রিকুয়েস্ট ফর রিপ্রিন্ট এ ক্লিক করুন।
বর্তমানে প্রকাশনীতে এই বইটির মুদ্রিত কপি নেই। বইটি প্রকাশনীতে এভেইলেবল হলে এসএমএস/ইমেইলের মাধ্যমে নোটিফিকেশন পেতে রিকুয়েস্ট ফর রিপ্রিন্ট এ ক্লিক করুন।
গেইল তুরিনের “আতঙ্কের দেয়াল” বইটি অনুবাদ করেছেন অসিত রায়। বইটি ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে প্রথমা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয়। বইটির প্রচ্ছদ করেছেন মাহবুবুর রহমান। ১৯৯৩ সালে সীমান্ত জুড়ে ৩ হাজার ২০০ কিলোমিটার দীর্ঘ দেয়াল তুলতে শুরু করে ভারত নিজেকে বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন করার উদ্যোগ নেয়। কংক্রিট ও কাঁটাতারে ঘেরা এই সীমান্ত-দেয়াল দুর্গম ও কঠোর প্রহরাধীন; পৃথিবীর সবচেয়ে রক্তাক্ত ভয়ংকর বলে পরিচিত। এর প্রধান শিকার বাংলাদেশের দুরদশাগ্রস্থ মানুষ। রাষ্ট্রের নানা ভেদ ও বিচ্ছিন্নতা নিয়ে বেলজিয়ামের আলোকচিত্রী গেইল দারুন আগ্রহী। ক্যামেরা হাতে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত নিয়ে বহুদিন ধরে তিনি তদন্ত সমীক্ষা করেছেন। তাঁর সেসব ছবি পেয়েছে ফ্রেঞ্চ এজেন্সি অব ডেভেলপমেন্টের শ্রেষ্ঠ ফটো রিপোরটিং এর বিশেষ পুরস্কার। এ বইয়ে অন্তর্ভুক্ত তাঁর সে সব ছবি ও ভাষ্য সীমান্ত – বাস্তবতার এক অচেনা ও নিষ্করুণ চেহারা তুলে ধরেছে। অনুবাদকের মুখবন্ধ, প্রস্তাবনা, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের ভূমিকা, ছবি-ভাষ্য – এই চার অধ্যায়ে লিখা হয়েছে বইটি। গেইল তুরিন বেলজিয়ামের সাংবাদিক। বাংলাদেশ – ভারত সীমান্তের দুইপাশ থেকে ২০১২/ ২০১৩ সালে এই ছবি গুলো তিনি তোলেন। এই বইয়ের অন্তর্ভুক্ত ৬২ টি ছবি ২০১৪ সালে ফ্রান্সের আজন্স ফ্র্যাসেজ দ্য দেভলপম থেকে শ্রেষ্ঠ সাংবাদিকের বিশেষ পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। বাংলাদেশ – ভারতের কাটাতার-ঘেরা দীর্ঘ সীমান্ত দেয়াল আগ্রহী করে তুলেছিল বেলজিয়ামের আলোকচিত্রী গেইল তুরিনকে। তাঁর সংকলিত এই বইটির প্রতি আগ্রহী হয়ে এটি অনুবাদের সিদ্ধান্ত নেন অসিত রায়। এ বছর জানুয়ারিতেই তাঁর অনুবাদিত বইটি “আতঙ্কের দেয়াল” শিরোনামে প্রকাশিত হয়।