আবৃত্তি দিয়ে সাহিত্যের সাথে পরিচয়। শরৎচন্দ্রের উপন্যাস দিয়ে তৈরি হয় অনুরাগ। সাহিত্যের সাথে সখ্যতা শুরু। কবিতা আবৃত্তি, মঞ্চে অভিনয়, উপস্থাপনায় নিয়মিত। সাথে রাজনীতি আর খেলাধুলা। সাংগঠনিক ব্যক্তিত্ব। সাহিত্যের শিক্ষক। বেতারে নিয়মিত আলোচনা, উপস্থাপনা আর কথিকা পাঠ। ভাল বক্তা। এসব দিকে তাঁর স্বচ্ছন্দ পদচারণা। এসব কিছুকে ছাপিয়েই গবেষণায় ডুবে থাকেন তিনি। ফলশ্রুতিতে স্নাতকোত্তরে গবেষণা, এমফিল, পিএইচ ডি গবেষণা; সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণা অনুষদের অধীন এবং বাংলা একাডেমির অধীনও গবেষণা করেন। পাঁড় গবেষক। এজন্য তাঁর লেখা গ্রন্থগুলোও গবেষণাধর্মী।
৯ টি মৌলিক গ্রন্থ প্রকাশ (প্রবন্ধ, সাহিত্য আলোচনা গ্রন্থ, কাব্যগ্রন্থ এবং ভ্রমণকাহিনি)
(ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগে সিলেবাসে সহায়ক গ্রন্থ হিসেবে অন্তর্ভূক্ত ১ টি গ্রন্থ)
২ টি সংকলন গ্রন্থ (গবেষণা গ্রন্থ)
৭ টি আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রবন্ধ প্রকাশ
৩ টি জাতীয় জার্নালে প্রবন্ধ প্রকাশ
৩ টি আন্তর্জাতিক গ্রন্থে প্রবন্ধ প্রকাশ
৬ টি নিবন্ধ প্রকাশ জাতীয় পত্রিকায়
৩০ টি প্রবন্ধ প্রকাশ বিভিন্ন জাতীয় সাহিত্য পত্রিকায়।
কবিতায় আন্তর্জাতিক সম্মাননা অর্জন। লেখক সম্মাননা অর্জন।
২০২৩ সালে বিভাগীয় শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক এবং তিনবার জেলা শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক।
রহনপুর বাজারের বাসিন্দা। মো হুমায়ন কবির ও নুরুন্নাহার কবিরের জ্যেষ্ঠ সন্তান। ছোটবেলা থেকেই তাঁর স্বপ্ন- মানুষের বুকসেলফে তাঁর রচিত বই থাকবে! ক্লাস এইটে থাকতে লেখালেখিতে হাতেখড়ি। স্থানীয় পত্রিকায় লেখা পাঠানো শুরু। তবে প্রথম গ্রন্থ প্রকাশ স্নানতকোত্তর শেষ করে। তিনি একজন স্বপ্নচারী। স্বপ্ন দেখেন, সেটা বাস্তবায়নের জন্য কাজও করেন; করে যাচ্ছেনও।