9 verified Rokomari customers added this product in their favourite lists
TK. 1400
“অসম্পূর্ণা" বইটির ফ্ল্যাপ এর লেখাঃ
সুচিত্রা ভট্টাচার্যর ‘এই মােহমায়া’ ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হচ্ছিল ‘সানন্দা’ পত্রিকায়। আর শারদীয় দেশ ১৪২২-এর জন্য লেখা শুরু করেছিলে
বইটি বিদেশি সাপ্লাইয়ারের নিকট থেকে সংগ্রহ করতে ৩০-৪০ দিন সময় লাগবে।
সুচিত্রা ভট্টাচার্য। সুচিত্রা ভট্টাচার্য মূলত সাংসারিক বিষয়গুলো নিয়ে বেশি লিখেন। সাংসারিক বিষয়গুলোতে সময়কালের খুব গভীর প্রভাব না থাকলেও, কিছুটা প্রভাব থাকে। প্রভাব থাকাটাই স্বাভাবিক, সময়ের সাথে মূল্যবোধেরও তো পরিবর্তন হয়।
জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক সুচিত্রা ভট্টাচার্য ‘সানন্দা’ পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে লিখছিলেন ‘এই মোহমায়া’…জমজমাট মহানগর, জীবনযুদ্ধ, সংগ্রামক্লান্ত নারী, নবীন ভালবাসা, ব্যথা-পাত্তা-স্বপ্ন উপন্যাসটিতে সুচিত্রা উপস্থিত নিজের মেজাজেই…শহুরে মধ্যবিত্ত সমাজকে হাতের তালুর মতো চিনতেন তিনি…গতিময় ভাষা, বিশ্বাসযোগ্য সংলাপ, নাটকীয় ঝাঁকুনি পাঠককে নিয়ে যায় ‘এই মোহমায়া’-র জগতে…পরিষ্কার চেনা যায় মানুষের চারপাশ, আশা-আকাঙ্ক্ষা, কোলাহল সরিয়ে ব্যক্তিগত নির্জনতাটুকুও…লেখকের আকস্মিক প্রয়াণে শেষ হয়নি এই আশ্চর্য উপন্যাস… একদমই ছোট কলেবরের এই উপন্যাসটিতে আঙ্গিক নিরীক্ষা ছিল উল্লেখযোগ্য এবং সে ক্ষেত্রে, আমার মতে, উনি সফল হয়েছেন। প্রথমে পাঠকের মনে প্রশ্ন সঞ্চার করেছেন তারপর ধীরে ধীরে দিয়েছেন তার উত্তর। পুরো উপন্যাস, কোনো চরিত্রের পরিচয় বা কোনো ক্ষুদ্র দৃশ্যপট, প্রায় সব ক্ষেত্রেই এটি অবলম্বন করেছেন লেখক। গল্পটির নামকরণ ও সার্থক, সমাজের একটি নির্দিষ্ট শ্রেণির মানুষের কামুক আকাঙ্ক্ষাকে চিত্রায়িত করেছেন লেখক। লেখক উপন্যাসের শুরুটা করেছেন সুন্দর একটি সকালে সুন্দর একটি ভালবাসার দৃশ্য এঁকে, এরপর সেই সুন্দর দৃশ্যটির পিছে লুকিয়ে থাকা একেকটি অন্ধকারকে এঁকে গেছেন। কিন্তু এটা কি অন্ধকার? নাহ, ওদের জন্য এটা দৈনন্দিন জীবনের অংশ...
শারদীয় দেশ ১৪২২ এর জন্যও যে উপন্যাসটি লিখতে শুরু করেছিলেন সুচিত্রা, তা শেষ করে যেতে পারেননি…‘কাঁটা বেঁধা পায়ে’ নামক অসমাপ্ত উপন্যাসটির প্রেক্ষাপট আমাদের সময়…