62 verified Rokomari customers added this product in their favourite lists
TK. 330TK. 299 You Save TK. 31 (9%)
"টোবাটেক সিং ও অন্যান্য গল্প?" বইয়ের ফ্ল্যাপের লেখা:
সাদত হাসান মান্টোকে বলা হয় দক্ষিণ এশিয়ার মহত্তম ছােটগল্পকারদের একজন। তুচ্ছ ঘটনাও তাঁর গল্পে অপূর্ব মহিমা লাভ করে।
Labeling the translation as bad would be an understatement. It’s just horrible. One of the distinct characteristics of Manto’s works is how he portrays the obscurities of the society. But the translation has stripped that away by altering the original stories. Not recommended at all.
Was this review helpful to you?
By ABU MOHAMMAD YOUSUF BIN AHAMMAD, Oct 22, 2019
Verified Purchase
সাদত হাসান মান্টো ভারত ভাগের সময়কার সাধারণ মানুষের দুঃখ কষ্ট অত্যন্ত সুনিপুণভাবে অতি অল্প কথায় এই বইটিতে তুলে ধরেছেন। দেশ ভাগের পরবর্তীতে যে বাড়ী আমার ছিল সেটা আর আমার না। যে প্রতিবেশীর সাথে সবই কিছু ভাগ করা হতো, দেশ ভাগের পর সেই প্রতিবেশি এখন আমার বাড়ির ভাগ নিয়ে নিচ্ছে। ধর্মের ভিত্তি দেশ ভাগের ফলে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবন যাপন, কর্ম, লেখাপড়া, অভ্যাস সবই বদলে যেতে থাকে। শুধু ধর্মের কারণেই আজ সবকিছু থেকেও কিছু নেই... সে এক অদ্ভুত ভাগ। আজীবন লালিত সবকিছুকেই আলাদা করে দিয়েছে। এই বই টি সেই সময় ঘটনাবলী সম্পর্কে সর্ম্মক ধারণা পাওয়া যায়। সত্যিই মানুষ এক অদ্ভুত জাতি।
Was this review helpful to you?
By murad, Jun 9, 2016
সমৃদ্ধ উর্দু কথাসাহিত্যের একজন শ্রেষ্ঠ লেখক সাদত হাসান মান্টো। তাঁর গল্পের পাঠ মানেই জীবনের সূক্ষ ও সত্য দিকগুলোর মর্মে প্রবেশ করা। যেকোনো সাধারণ বিষয়কে অসাধারণ করে তোলার ক্ষমতা ছিল তাঁর সাহিত্যিক প্রতিভার প্রধানতম বৈশিষ্ট্য। মানবিক নানা বিষয় তাঁর রচনার উপজীব্য। বিশেষ করে সাতচল্লিশের ভারত ভাগ আর সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা নিয়ে লেখা তাঁর অসাধারণ গল্পগুলো পাঠককে একই সঙ্গে মুগ্ধ, বিস্মিত ও আনন্দিত করে।
টোবাটেক সিং ও অন্যান্য গল্প নামের এ বইয়ের প্রথম গল্প ‘লাইসেন্স’-এর কথাই ধরা যাক। আব্বু নামের এক টাঙ্গার কোচোয়ান। ঘটনার যোগে নীতি নামের এক অপরূপা যুবতীর সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরিচয় থেকে প্রেম ও পরিণয়। পরিণয়ের পর ‘যৌবনের পাগলামিতে দুজনেই ডুবে ছিল।’ এর মধ্যে একদিন কী হয়, অপহরণের মামলায় আব্বু ও নীতিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। নীতি ছাড়া পায়। কিন্তু আব্বু ছাড়া পায় না। নীতিকে তার বাবা ও মা ফিরিয়ে নিয়ে যেতে চায়, কিন্তু সে অস্বীকৃতি জানায়। সে থেকে যায় স্বামীর বাড়িতে। স্বামীর জন্য মামলা লড়ে যায়। তবে একটা কিছু সমাধান হওয়ার আগেই জেলের ভেতরে রোগে-শোকে ধুঁকে ধুঁকে মারা যায় আব্বু। তারপর নীতির জীবনে নানা লোভ-প্রলোভনের হাতছানি আসে, কিন্তু স্বামী আব্বুকে ছাড়া কিছুই বোঝে না সে। সে আর বিয়ে করে না। শেষ পর্যন্ত নীতি সিদ্ধান্ত নেয় স্বামীর টাঙ্গা সে নিজেই চালাবে। কিন্তু সেখানেও বাধা। মিউনিসিপ্যালিটির নিয়মনীতি বাধা হয়ে দাঁড়ায়। তাদের সোজাসাপ্টা কথা, মেয়েরা টাঙ্গা চালাতে পারবে না। এ ব্যাপারে তাদের লাইসেন্স দেওয়া হয় না। বলা হলো, ‘বাজারে বসো গিয়ে, ভালো আয় হবে।’ ‘অফিসারের উত্তর শুনে নীতির ভেতরে আসল যে নীতি ছিল, তা জ্বলেপুড়ে ছবি হয়ে গেল।’ এবং ‘পরের দিন সে আবেদন পেশ করল। এরপর দেহ-বেসাতির লাইসেন্স পেয়ে গেল সে।’