35 verified Rokomari customers added this product in their favourite lists
TK. 550TK. 440 You Save TK. 110 (20%)
ভূমিকা
পাঠকদের চাহিদা নতুন কিছু। আল্লাহ্র বক্তব্য অপরিবর্তনীয়। বলা যায় আরো সুন্দর করে নিজের ভাষায়, যা হবে বাতাসের মতো স্বচ্ছ, পানির মতো নিৰ্মল । অবাধ্যতার ফসল নিয়ে আ
”বাংলাভাষায় ভাই গিরীশচন্দ্রের পর অনেকেই পবিত্র কোরআন শরিফের অনুবাদ করেছেন। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের অনুবাদটি অনেক বিদ্বান ব্যক্তির অবদানে সমৃদ্ধ। বিচারপতি হাবিবুর রহমান, মওলানা মুহিউদ্দীন খান, আবুল মনসুর আহমদ প্রমুখ। মুস্তাফা জামান আব্বাসী করেছেন সমসাময়িক অনুবাদ ‘স্পষ্ট জ্যোতি আল কোরআন’ শিরোনামে। এর আগে আবুল মনসুর আহমদ সহজবোধ্য ভাষায় ‘আল কোরআনের নসিহত’ নামে একটি অনুবাদ করেছিলেন, কোরআনের বিষয়ভিত্তিক আয়াতসমূহের বাংলা সংকলন- ময়মনসিংহের আঞ্চলিক ভাষাকে গুরুত্ব দিয়ে। অন্যান্য বাংলা কোরআন শরিফ অনুবাদ করা বেশিরভাগই সাধু বাংলাভাষায় অনুবাদ করেছেন ঐশী গ্রন্থটি। কিন্তু মুস্তাফা জামান আব্বাসী চলিত বাংলার সমসাময়িক আবহে কোরআনের এই অনুবাদটি করেছেন। ভূমিকায় তিনি উল্লেখ করেছেন, এই অনুবাদের অন্তর্প্ররেণা খুব নিবিড়ভাবে কোরআনের মর্ম নিজে অনুধাবনের কথা এবং সেই নিবিড় অনুধাবনকে পাঠকের সঙ্গে ভাগ করে নেয়ার জন্য তার এই প্রয়াস। তার এই আন্তরিক ইচ্ছাটি সফল এ কথা বলা চলে। যদিও এটি দুরূহ একটি অভীপ্সা এ কথা যেমন তিনি জানেন, তেমনই যে কোনো পাঠকও বুঝতে পারবেন। কিন্তু অন্তর যখন উন্মুক্ত স্রষ্টার বাণী হৃদয়ঙ্গমে এবং একই সঙ্গে সেই উপলব্ধি বিলিয়ে দিতে অকৃপণ সব মানুষের অন্তরে তখন সফলতা অর্জিত হয়- শুভ কাজের শুভ বিস্তৃতি ঘটে তাতে। সাবলীল, প্রাঞ্জলতায় মুস্তাফা জামান আব্বাসী কোরআন অনুবাদের কাজটি সম্পন্ন করেছেন। বাংলাভাষী যে কোনো আগ্রহী পাঠকের কাছে কোরআন প্রবেশক রূপে বরিত হবে এই অনুবাদটি তাতে সন্দেহ নেই। ভূমিকায় তিনি একটি সূরার উল্লেখ করেছেন এভাবে- “আল্লাহ বলেছেন, ‘পনেরশ’ বছর আগে সূরা সা’দে : ‘আজকের সর্বোত্তম সংবাদ [নাবাউল আজম] কি? তা হচ্ছে কোরআন, যার থেকে তোমরা পালিয়ে বেড়াচ্ছ। [৩৮:৬৭]” [ভূমিকা, পৃ-১৮] মূলত, কোরআনের সান্নিধ্য থেকে পালিয়ে কিংবা এড়িয়ে যাওয়া মুসলমান সমাজের কাছে পবিত্র গ্রন্থকে হৃদয়গ্রাহী করে তোলার লক্ষ্যেই তার এই প্রয়াস আর প্রয়াসটি সফল এ কথা নির্দ্বিধায় আবারও উল্লেখ করতে পারি।(তথ্যসূত্র:যুগান্তর/৮/৪/২০১৬)