1 verified Rokomari customers added this product in their favourite lists
TK. 135TK. 116 You Save TK. 19 (14%)
বর্তমানে প্রকাশনীতে এই বইটির মুদ্রিত কপি নেই। বইটি প্রকাশনীতে এভেইলেবল হলে এসএমএস/ইমেইলের মাধ্যমে নোটিফিকেশন পেতে রিকুয়েস্ট ফর রিপ্রিন্ট এ ক্লিক করুন।
বর্তমানে প্রকাশনীতে এই বইটির মুদ্রিত কপি নেই। বইটি প্রকাশনীতে এভেইলেবল হলে এসএমএস/ইমেইলের মাধ্যমে নোটিফিকেশন পেতে রিকুয়েস্ট ফর রিপ্রিন্ট এ ক্লিক করুন।
Related Products
Product Specification & Summary
ফ্ল্যাপে লিখা কথা
মানুষের মাঝে আনন্দ বিতরণ করাকে সুমন পেশা হিসাবে বেছে নিয়েছে। মানুষ তার এই পেশাকে নানান ভাষায় আখ্যায়িত করে। সুমনের বিয়ের প্রস্তাব আসে। পেশার কথা শুনে মেয়ের মা কোনোমতেই মেয়ে বিয়ে দিতে রাজি হয় না। ছোট বোন তিশা ছেলের পেশা শুনে ইন্টারেষ্ট ফিল করে। সে পাত্র দেখতে যায়। সুমন তার মাঝে আনন্দ বিতরণ করে। সে অসম্ভব খুশি। বাসায় এসে জানায়, পাত্র ভালো। পাত্রের বংশ আরোও ভালো। তাদের বংশের পুরুষ মানুষেরা বউয়ের কথায় ওঠে আর বসে। বড় বোন বিয়ে করতে রাজি না হলে সে বিয়ে করতে রাজি আছে। পাত্রীর মা কোনোমতেই বেকার ছেলের কাছে মেয়ে বিয়ে দিতে রাজি না। সকলের অনুরোধে তিনি মেয়ের জন্য পাত্র দেখতে যান। সুমন তার মাঝেও আনন্দ বিতরণ করে। বাসার সকলে বিয়েতে রাজি হয়। বাধ সাধে পাড়ার ছেলে কোনোদিন ভালেবাসার কথা বলতে পারেনি। কারণ, সুমিকে দেখলেই লাভলুর বুকের মাঝে ভাইব্রেশন শুরু হয়। অনেকবার সুমির সামনে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। বুকে ভাইব্রেশন হওয়অর কারণে ভালোবাসার কথা সুমনকে জানায়। সব শুনে সুমন ভাবে, তার কাজ মানুষের মাঝে আনন্দ বিতরণ করা। সে লাভলুকে ভালোবাসা অর্জনের জন্য পনের দিন সময় দেয়। লাভলু পড়ে মহাটেনশনে। কোনো উপায়ান্তর না দেখে মেয়ের বাসার সামনে ভালোবাসা পাওয়ার জন্য আমরণ অনশন শুরু করে। তার এ কাহিনী মিডিয়ায় প্রচার হতে থাকে। ঘটে নানান রকম মজার ঘটনা। লাভলু কি ভালোবাসার মানুষের মন পাবে? নাকি আনন্দ বিতরণ করতে গিয়ে সুমন নিজেই হবে কারও দুঃখের কারণ? হাসি..মজা...